কোচ-মেসি দ্বন্দ্ব, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ড্র। বার্সেলোনা ক্লাবটা যেনো এখন যে কারো সাথে হারতে পারে, আবার যে কাউকে হারাতেও পারে। একটু ধারাবাহিক হবার চেষ্টা বার্সা কোচ রোনাল্ড ক্যোম্যানের। রিয়াল ভায়াদোলিদের সঙ্গে তাই নতুনদের উপরই ভরসা রাখলেন। শুরুর একাদশে রাখলেন না দলের দুই বড় তারকা অ্যাঁতোয়ান গ্রিজম্যান ও ফিলিপে কুটিনিয়োকে। তবে ম্যাচের সব আলো ছিল লিওনেল মেসির দিকে। এই ম্যাচে এক গোল করলেই যে পেড়িয়ে যাবেন এক ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড।
নতুনরা আস্থার প্রতিদান দিলেন। মেসি পাশ থেকে সাহায্য করলেন। ভায়াদোলিদের মাঠে ম্যাচের ২১ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সা। ক্লেমেট ল্যাঙ্গেটের গোলে অবদান এল এম টেনের।
৩৫ মিনিটে আবার গোল কাতালান জায়ান্টদের। এবার গোল করলেন ব্রাথওয়েট। ২-০ গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বার্সা।
২০১৪ তে সবশেষ বার্সাকে হারিয়েছিল ভায়াদোলিদ। এ ম্যাচেও হারার সম্ভাবনা ছিল না। তবে সব উত্তেজনা জমে ছিল এক রেকর্ড স্পর্শ করার অপেক্ষাতে।ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী পেলেকে ছুঁয়েছিলেন আগের ম্যাচেই। এবার কালো মানিককেও ছাড়িয়ে গেলেন। ৬৫ মিনিটে বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি করলেন সেই ৬৪৪ নম্বর গোল। এক ক্লাবের হয়ে গড়লেন সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড।
ম্যাচের বাকি সময় আর গোল হয়নি। বার্সা ম্যাচ জেতে ৩-০ তে। তাতে ১৪ ম্যাচে ১০ জয় নিয়ে ৫ নম্বরে আছে বার্সেলোনা।
শীর্ষস্থানে থাকা অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ অদম্য। ১৩ ম্যাচে হার মাত্র ১টিতে। ধারাবাহিকতা ধরে রাখার ম্যাচে রোজি ব্লাঙ্কোদের প্রতিপক্ষ রিয়াল সোসিয়েদাদ।
প্রতিপক্ষের মাঠে অবশ্য ম্যাচের প্রথমার্ধে নিজেদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ছিটে ফোঁটাও ছিল না। ম্যারম্যারে প্রথমার্ধে হয়নি কোনো গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কৌশল পাল্টায় কোচ দিয়াগো সিমিওনে। ফল আসে ৪ মিনিটের মাথায়। ৪৯ মিনিটে হারমোসো গোল করে এগিয়ে নেয় অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে।
৭৪ মিনিটে লরেন্তোর গোলে ২-০ গোলের জয় পায় লুই সুয়ারেজরা। তাতে শীর্ষস্থান অক্ষুন্ন রেখেই মাঠ ছাড়ে দিয়াগো সিমিওনে শিষ্যরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন