সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভির সাফাই সাক্ষী গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) এ মামলায় তিনজনের সাফাই সাক্ষী গ্রহণ শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুমায়ুন কবির এ আদেশ দেন।
সাফাই সাক্ষীদাতারা হলেন: কলারোয়া উপজেলার গদখালি গ্রামের রহিম বক্স মোড়লের ছেলে মোবারক আলী মোড়ল, সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া মাস্টারপাড়ার শাহজাহান কবীরের ছেলে সিটি কলেজের প্রভাষক মনিরুজ্জামান মনি ও তালা উপজেলার মেলাবাজারের শেখ তয়জদ্দিনের ছেলে ও তালা মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ শেখ শফিকুল ইসলাম।
তারা এ মামলার আসামি যথাক্রমে গোলাম রসুল, তামিম আজাদ মেরিন ও রকিব মোল্লার পক্ষে এ সাফাই সাক্ষী দেন।
এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জী, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন মৃধা ও পিপি অ্যাডভোকেট. আব্দুল লতিফ, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট এসএম হায়দার আলী, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট তপন কুমার দাস, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলুসহ কয়েকজন।
অপরদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন বাংলাদেশ হাইকোর্টের অ্যাডভোকেট শাহানারা আক্তার বকুল, সাতক্ষীরার অ্যাডভোকেট. আব্দুল মজিদ (২), অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু ও অ্যাড. কামরুজ্জামান ভুট্টোসহ কয়েকজন।
প্রসঙ্গত ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে যান। এদিন তিনি কলারোয়া হয়ে মাগুরা ফিরে যাওয়ার পথে তার গাড়িবহর নিয়ে হামলার শিকার হন। সেখানে গুলি এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুনরুজ্জীবিত মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এ মামলায় ২০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এ মামলার ৫০ আসামির মধ্যে ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আদালতে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ বাকি ৩৪ আসামি উপস্থিত ছিলেন।

إرسال تعليق