একজন মাশরাফীকে অবশ্য ট্রফির সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। ইনজুরি আর নানা প্রতিবন্ধকতার সাথে লড়াকু মাশরাফী দেশের ক্রিকেটে অনুপ্রেরণার নাম। তবে প্রাপ্তির খাতাটাও একেবারে হালকা নয়। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ট্রফি অর্জনের রেকর্ডটিও তার।
মাশরাফীর টি-টোয়েন্টি আসরে ট্রফি জয়ের শুরুটা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ দিয়ে। ২০১২ সালে প্রথমবার আয়োজিত বিপিএলে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসে নাম লেখান ম্যাশ। দায়িত্ব পান অধিনায়কত্বের। প্রথম আসরেই বাজিমাত করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ঢাকার ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ট্রফি উপহার দেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
সাফল্যের ধারায় পরের বছরও তাকে দলে রাখে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস। আবারো অধিনায়কত্ব মাশরাফীর কাঁধে। এবারো নিরাশ করেননি ম্যাশ। ফাইনালে চট্টগ্রামকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় ট্রফি জিতেন তিনি।
২০১৫ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে নাম লেখান সফলতম অধিনায়ক। বিপিএল আর মাশরাফী যেন একই সুতোয় গাঁথা। এবার বরিশাল বুলসকে হারিয়ে তৃতীয় বিপিএল শিরোপায় নিজের নাম লেখালেন ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তাজা।
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্সের অধিনায়কত্ব পান মাশরাফী। নতুন চ্যালেঞ্জে পুরনো কাজটা করে দেখান ম্যাশ। বিপিএলে নিজের চতুর্থ শিরোপা জেতেন নড়াইল এক্সপ্রেস।
২০২০ করোনা কাল। হয়নি বিপিএল। কোভিড বন্ধ্যাত্ব কাটিয়ে মাঠে ফেরে ক্রিকেটাররা। লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকায় মাশরাফীর খেলা নিয়ে ছিল সংশয়। টুর্নামেন্টের মাঝে খুলনায় যোগ দেন ম্যাশ। বাকিটা সবার জানা। এবার সরাসরি অধিনায়ক ছিলেন না। তবে দলের অন্যতম অনুপ্রেরণা হয়ে ছিলেন। সেই সাথে পঞ্চম শিরোপা জিতলেন মাশরাফী।

إرسال تعليق