লা লিগায় জয়ের দেখা পেয়েছে বার্সেলোনা। লিওনেল মেসির গোলে লেভান্তেকে ১-০ গোলে হারিয়েছে কাতালানরা। ১১ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে আছে কোম্যানের দল। সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না লিওনেল মেসির। দলের সেরা তারকার খারাপ সময় মানেই কাতালানদের দু:সময়। একটু একটু করে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শিরোপার আশা। লিগে কাদিজের কাছে বাজে হারের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হাইভোল্টেজ ম্যাচেও য়্যুভেন্তাসের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে কাতালানরা। রোনালদো ও মেসির দ্বৈরথে একেবারেই নিস্প্রাণ ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার এমন ভরাডুবি মানতে কষ্ট হচ্ছে সমর্থকদেরও। কোন মন্ত্রবলেই দলকে সাফল্যের ধারায় আনতে পারছেন না নেদারল্যান্ডসের দায়িত্ব ছেড়ে এক বুক আশা নিয়ে বার্সায় আসা রোনাল্ড কোম্যানও। টানা দুই হারের পর লেভান্তের বিপক্ষে লা লিগায় প্রথমার্ধে চমক দেখাতে পারেনি বার্সেলোনা। লা লিগায় ন্যু ক্যাম্পে হওয়া দু’দলের শেষ ১৪ ম্যাচেই জয় আছে মেসিদের। কিন্তু তারপরও অতীত সুখস্মৃতি দিতে পারেনি আত্মবিশ্বাস। লিড আসেনি প্রথমার্ধে। ৬১ মিনিটে গ্রিজম্যানের শট বারের ওপর দিয়ে চলে না গেলে হয়ত আনন্দে ভাসতে পারতো সমর্থকরা। ৭০ মিনিটে মেসিকে হতাশ করেছেন লেভান্তে গোলরক্ষক ফারনান্দেজ। তবে, ৭৬ মিনিটে আর নিজের দূর্গ সুরক্ষিত রাখতে পারেননি ২৯ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ গোলরক্ষক। ডি ইয়ংয়ের পাসে চমৎকার গোল করে ন্যু ক্যাম্পের কনকনে ঠাণ্ডায় উত্তাপ ছড়িয়েছেন মেসি। মেসির গোলের পর স্বস্তি ফেরে বার্সেলোনা শিবিরে। শেষদিকে ক্রিনকাও, পেদ্রিরা ঝলক দেখিয়েছেন। কিন্তু গোল আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত লেভান্তের বিপক্ষে কষ্টের জয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।
Riyad
“Wake up to reality! Nothing ever goes as planned in this world. The longer you live, the more you realize that in this reality only pain, suffering and futility exist.”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন